ঘুমানোর পূর্বে আমল - bhalo lage

 


🌙 ঘুমানোর আগে কয়েকটি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ আমল করলে রাতভর আল্লাহর হেফাজত পাওয়া যায়, মন শান্ত থাকে এবং ভালো ঘুম হয়। এসব আমল যেমন আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস-ফালাক-নাস, তাসবীহে ফাতেমী বা কিছু দোয়া এসব রাসূল (সা.) নিয়মিত করতেন। এগুলো মানুষকে শয়তানের কুমন্ত্রণার থেকে রক্ষা করে, কবরের আজাব থেকে নিরাপদ রাখে এবং আখিরাতে সাওয়াবের কারণ হয়। ছোট অথচ বরকতময় এই আমলগুলো আমাদের ঘুমকে আল্লাহর ইবাদতের অংশ করে তোলে।


মিসওয়াক করা

  • হাদীস অনুযায়ী ঘুমের আগে ও অযুর সময় মিসওয়াক করা সুন্নত

  • এতে দাঁতের যত্ন হয় এবং নেকি অর্জিত হয়

 

অযু করা

  • ঘুমানোর পূর্বে পরিপূর্ণ অযু করে নেওয়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ

  • পবিত্র অবস্থায় ঘুমালে রুহ ধৌত থাকে ও ফেরেশতারা দোয়া করে




সুরা মুলক পড়া

 রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোরআনের মধ্যে ৩০ আয়াতবিশিষ্ট একটি সুরা আছে, যেটি কারো পক্ষে সুপারিশ করলে তাকে মাফ করে দেয়া হয়। সুরাটি হলো তাবারাকাল্লাজি বিয়াদিহিল মুলক (সুরা মুলক)। (তিরমিজি ২৮৯১)




২-৮ রাকাত তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করুন

  • একাকী নীরবে আল্লাহর সাথে কথোপকথন

  • সব চাওয়া খুলে বলা, কান্না করা, আল্লাহর কাছে মাফ চাওয়া




আয়াতুল কুরসি পাঠ করা


 اَللهُ لآ إِلهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّوْمُ، لاَ تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَّلاَ نَوْمٌ، لَهُ مَا فِى السَّمَاوَاتِ وَمَا فِى الْأَرْضِ، مَنْ ذَا الَّذِىْ يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلاَّ بِإِذْنِهِ، يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيْهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلاَ يُحِيْطُوْنَ بِشَيْئٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلاَّ بِمَا شَآءَ، وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ، وَلاَ يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا وَ هُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيْمُ-

অর্থ ঃ আল্লাহ, যিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও বিশ্বচরাচরের ধারক। তন্দ্রা বা নিদ্রা তাঁকে পাকড়াও করতে পারে না। আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সবকিছু তারই মালিকানাধীন। তাঁর হুকুম ব্যতীত এমন কে আছে যে তাঁকে সুপারিশ করতে পারে? তাদের সম্মুখে ও পেছনে যা কিছু আছে সবকিছুই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসমুদ্র হতে তারা কিছুই আয়ত্ত করতে পারে না, কেবল যতটুকু তিনি দিতে ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত। তাঁর কুরসি সমগ্র আসমান ও জমিন পরিবেষ্টন করে আছে। আর সেগুলোর তত্ত্বাবধান তাঁকে মোটেই শ্রান্ত করে না। তিনি সর্বোচ্চ ও মহান।


রাসুল (সাঃ) বলেছেন:

“যে ব্যক্তি প্রতিটি সালাতের পরে আয়াতুল কুরসী পড়ে, তার এবং জান্নাতের মধ্যে কেবল মৃত্যু বাধা।”
— (নাসাঈ, হাদীস: ৫৫৫৪)

অন্য হাদীসে বলা হয়েছে:

“যখন তুমি বিছানায় যাবে, আয়াতুল কুরসী পড়ে নিও। তখন আল্লাহ তোমার উপর এক পাহারাদার নিযুক্ত করবেন এবং শয়তান সকাল পর্যন্ত তোমার কাছে আসতে পারবে না।”
— (সহীহ বুখারী: ২৩১১)


৩ কুল (সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস) 

১. হাত দু’টি একসাথে করুন
২. সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস একবার করে পড়ুন
৩. তারপর হাতে ফুঁ দিন
৪. মাথা থেকে শুরু করে পুরো শরীরের ওপর হাত বুলিয়ে দিন
৫. তিনবার করুন

 

আয়েশা (রাঃ) বলেন: “রাসুল (সাঃ) যখন ঘুমাতে যেতেন, তখন তিনি নিজের দুই হাতে ফুঁ দিতেন সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে এবং তারপর নিজের পুরো শরীরের ওপর হাত বুলিয়ে নিতেন - যতদূর হাত পৌঁছাত।”  -[সহীহ বুখারী: ৫০১৭]



সূরা আল-বাকারার শেষ দুই আয়াত

لِلّٰهِ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الۡاَرۡضِ‌ؕ وَاِنۡ تُبۡدُوۡا مَا فِىۡۤ اَنۡفُسِكُمۡ اَوۡ تُخۡفُوۡهُ يُحَاسِبۡكُمۡ بِهِ اللّٰهُ‌ؕ فَيَـغۡفِرُ لِمَنۡ يَّشَآءُ وَيُعَذِّبُ مَنۡ يَّشَآءُ‌ ؕ وَاللّٰهُ عَلٰى كُلِّ شَىۡءٍ قَدِيۡرٌ‏ ﴿۲۸۴﴾ اٰمَنَ الرَّسُوۡلُ بِمَاۤ اُنۡزِلَ اِلَيۡهِ مِنۡ رَّبِّهٖ وَ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ‌ؕ كُلٌّ اٰمَنَ بِاللّٰهِ وَمَلٰٓٮِٕكَتِهٖ وَكُتُبِهٖ وَرُسُلِهٖ لَا نُفَرِّقُ بَيۡنَ اَحَدٍ مِّنۡ رُّسُلِهٖ‌ وَقَالُوۡا سَمِعۡنَا وَاَطَعۡنَا‌ غُفۡرَانَكَ رَبَّنَا وَاِلَيۡكَ الۡمَصِيۡرُ‏ ﴿۲۸۵﴾ لَا يُكَلِّفُ اللّٰهُ نَفۡسًا اِلَّا وُسۡعَهَا ‌ؕ لَهَا مَا كَسَبَتۡ وَعَلَيۡهَا مَا اكۡتَسَبَتۡ‌ؕ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذۡنَاۤ اِنۡ نَّسِيۡنَاۤ اَوۡ اَخۡطَاۡنَا ‌ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحۡمِلۡ عَلَيۡنَاۤ اِصۡرًا كَمَا حَمَلۡتَهٗ عَلَى الَّذِيۡنَ مِنۡ قَبۡلِنَا ‌‌ۚرَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلۡنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهٖ‌ ۚ وَاعۡفُ عَنَّا وَاغۡفِرۡ لَنَا وَارۡحَمۡنَا اَنۡتَ مَوۡلٰٮنَا فَانۡصُرۡنَا عَلَى الۡقَوۡمِ الۡكٰفِرِيۡنَ‏ ﴿۲۸۶﴾

উচ্চারণ : (২৮৪) লিল্লা-হি মা ফিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়ামা-ফিল আরদিওয়া ইন তুবদুমা-ফিআনফুছিকুম আও তুখফুহু ইউহা-ছিবকুম বিহিল্লা-হু ফাইয়াগফিরু লি মাইঁ ইয়াশাউ ওয়া ইউ‘আজজিবু মাইঁ ইয়াশাউ ওয়াল্লা-হু আলা-কুল্লি শাইয়িন কাদির।

(২৮৫) আ-মানাররাসুলু বিমাউনজিলা ইলাইহি মির রাব্বিহি ওয়াল মু’মিনুনা কুল্লুন আ-মানা বিল্লাহি ওয়া মালাইকাতিহি ওয়া কুতুবিহি ওয়া রুসুলিহি লা-নুফাররিকুবাই না আহাদিম মির রুসুলিহি ওয়া কা-লু ছামি‘না ওয়াআতা‘না গুফরা-নাকা রাব্বানা-ওয়া ইলাইকাল মাসির।

(২৮৬) লা-ইউকালিলফুল্লা-হু নাফছান ইল্লা-উছ‘আহা-লাহা-মা কাছাবাত ওয়া ‘আলাইহা-মাকতাছাবাত রাব্বানা-লা-তুআ-খিজনা ইন নাসিনা-আও আখতা’না-রাব্বানা ওয়ালা-তাহমিল ‘আলাইনা-ইসরান কামা-হামালতাহু আলাল্লাজিনা মিন কাবলিনা-রাব্বানা-ওয়ালা তুহাম্মিলনা-মা-লা-তা-কাতা লানা-বিহি ওয়া‘ফু‘আন্না-ওয়াগফিরলানা-ওয়ারহামনা-আনতা মাওলা-না-ফানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফিরিন।

অর্থ : (২৮৪) আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সমস্ত আল্লাহ্ রই। তোমাদের মনে যা আছে, তা প্রকাশ কর বা গোপন রাখ, আল্লাহ্ এর হিসাব তোমাদের নিকট থেকে গ্রহণ করবেন। এরপর যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করবেন আর যাকে খুশি শাস্তি দিবেন।

আল্লাহ্ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান। (২৮৫) রাসুল, তার প্রতি তার প্রতিপালকের পক্ষ হতে যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে ইমান এনেছে এবং মু’মিনগণও। তাদের সকলে আল্লাহে, তাঁর ফিরিশতাগণে, তাঁর কিতাবসমুহে ও তাঁর রাসুলগণে ইমান এনেছে।

তারা বলে, ‘আমরা তাঁর রাসুলগণের মধ্যে কোনো তারতম্য করি না’, আর তারা বলে, ‘আমরা শুনেছি এবং পালন করেছি। হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা তোমার ক্ষমা চাই আর প্রত্যাবর্তন তোমারই নিকট।’ (২৮৬) আল্লাহ্ কারও ওপর এমন কোনো কষ্টদায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।

সে ভালো যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তারই আর সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তারই। ‘হে আমাদের প্রতিপালক! যদি আমরা বিস্মৃত হই বা ভুল করি তবে তুমি আমাদের পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক ! আমাদের পূর্ববর্তিগণের ওপর যেমন গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের ওপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করো না।


রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন:

“যে ব্যক্তি রাতে সূরা আল-বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়ে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।”

- (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)



সূরা আল-কাফিরুন (সূরা নং ১০৯) পাঠ করা

قُلْ يَٰٓأَيُّهَا ٱلْكَٰفِرُونَ لَآ أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ وَلَآ أَنتُمْ عَٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ
وَلَآ أَنَا۠ عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ وَلَآ أَنتُمْ عَٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِىَ دِينِ

অর্থঃ বলুন, হে কাফেরকুল, আমি এবাদত করি না, তোমরা যার এবাদত কর। এবং তোমরাও এবাদতকারি নও, যার এবাদত আমি করি এবং আমি এবাদতকারি নই, যার এবাদত তোমরা করো।

তোমরা এবাদতকারি নও, যার এবাদত আমি করি। তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্য।


রাসুল (সাঃ) বলেছেন:

“তুমি যখন শোবার জন্য বিছানায় যাবে, তখন ‘কুল ইয়ায়ুহাল কাফিরুন’ পড়ে নিও। এটি শিরক থেকে নিরাপত্তা দেবে।”

- (আবু দাউদ: ৫০৫৫)



سُبْحَانَ اللَّهِ - আল্লাহ মহান পবিত্র - ৩৩ বার
الْـحَمْدُ لِلَّهِ - সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য - ৩৩ বার
اللَّهُ أَكْبَرُ - আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ - ৩৪ বার

 

ফাতিমা (রাঃ) যখন গৃহস্থালির কাজের ক্লান্তিতে সাহায্য চেয়েছিলেন, তখন রাসুল (সঃ) তাকে এই তাসবীহ শিক্ষা দেন।

 

আলী (রাঃ) বলেন: রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে কিছু শব্দ শিখিয়েছেন যা আমি ঘুমাতে যাওয়ার সময় বলি: “৩৪ বার আল্লাহু আকবার, ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ এবং ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ।” - জামি‘ আত-তিরমিজি, হাদীস: ৩৩৯৮



 সূরা ইউনুস ( আয়াত নং - ৬৪ )

لَہُمُ الۡبُشۡرٰی فِی الۡحَیٰوۃِ الدُّنۡیَا وَفِی الۡاٰخِرَۃِ ؕ  لَا تَبۡدِیۡلَ لِکَلِمٰتِ اللّٰہِ ؕ  ذٰلِکَ ہُوَ الۡفَوۡزُ الۡعَظِیۡمُ

অর্থঃ তাদের জন্য সুসংবাদ পার্থিব জীবনে ও পরকালীন জীবনে। আল্লাহর কথার কখনো হের-ফের হয় না। এটাই হল মহা সফলতা।




সূরা আত-তারিক (সূরা নং ৮৬)

যদিও সরাসরি হাদীস নেই যে ঘুমানোর আগে এই সূরা পড়তে হবে, তবে আলেমরা ঘুমানোর আগে কিছু সূরা যেমন ইখলাস, ফালাক, নাস ও আত-তারিক পড়ার পরামর্শ দেন আত্মার প্রশান্তি ও সুরক্ষার জন্য।



ঘুমানোর আগে দরুদ শরীফ পাঠ করা

ঘুমানোর আগে দরুদ পড়া মানে রাতে আল্লাহ ও ফেরেশতাদের বরকত ও দরুদ লাভের পথ।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:

“যে আমার উপর একবার দরুদ পড়বে, আল্লাহ সেই ব্যক্তির জন্য দশজন ফেরেশতা দরুদ পড়বে।” - (সহীহ মুসলিম)




ঘুমের দোয়া

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা বিসমিকা আমু-তু ওয়া আহ্ইয়া

অর্থ : হে আল্লাহ্! আপনার নাম নিয়েই আমি মরছি (ঘুমাচ্ছি) এবং আপনার নাম নিয়েই জীবিত (জাগ্রত) হব। (বুখারি, হাদিস : ৬৩২৪)

আল্লাহর রাসুল (সা.) যখন ঘুমানোর ইচ্ছা করতেন, তখন তার ডান হাত -  তার গালের নীচে রাখতেন, তারপর এ দোয়াটি বলতেন




ঘুমানোর সময় সর্ব শেষ এই দুআ

اللّهُمَّ أَسْلَمْتُ نَفْسي إِلَيْكَ، وَفَوَّضْتُ أَمْري إِلَيْكَ، وَوَجَّهْتُ وَجْهي إِلَيْكَ، وَأَلْجَاْتُ ظَهري إِلَيْكَ، رَغْبَةً وَرَهْبَةً إِلَيْكَ، لا مَلْجَأَ وَلا مَنْجا مِنْكَ إِلاّ إِلَيْكَ، آمَنْتُ بِكِتابِكَ الّذي أَنْزَلْتَ وَبِنَبِيِّكَ الّذي أَرْسَلْت .

অর্থঃ
হে আল্লাহ!
আমি আমার প্রাণ তোমার কাছে সমর্পণ করলাম,
আমার সব বিষয় তোমার ওপর ন্যস্ত করলাম,
আমার মুখ তোমার দিকে ফেরালাম,
আমার পিঠ তোমার ওপর ভর দিলাম,
তোমার প্রতি ভালোবাসা ও ভয়ের সঙ্গে ফিরে এলাম।
তোমার কাছ ছাড়া আর কোনো আশ্রয় নেই, মুক্তিও নেই - কেবল তোমার কাছেই।
আমি ঈমান আনলাম সেই কিতাবে যা তুমি অবতীর্ণ করেছ,
আর সেই নবীর প্রতি যাকে তুমি প্রেরণ করেছ।


রাসুল ﷺ ঘুমানোর আগে ডান পাশে শুয়ে এই দোয়াটি পাঠ করতেন।





ঘুমানোর আগে ছোট ছোট এই আমলগুলো আমাদের জীবনকে আলোকিত করে, রাতভর আল্লাহর রহমত ও হেফাজত বুলিয়ে দেয়। রাসূল (সা.) এর সুন্নতের আদর্শ অনুসরণ করে এসব দোয়াও আমল রোজকার জীবনে মনের শান্তি ও নিরাপত্তা এনে দেয়। তাই প্রতিদিন রাতে এই আমলগুলো নিয়মিত করার মাধ্যমে আমরা শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে রক্ষা পাই, কবরের আজাব থেকে নিরাপদ থাকি এবং আখিরাতে মহান সওয়াবের মালিক হই।

আসুন, আমরা সকলে এই সুন্নত আমলগুলো জীবনে অন্তর্ভুক্ত করি এবং আল্লাহর নৈকট্য ও বরকত লাভ করি। কারণ, রাতের এই ঘুমই আমাদের আত্মার বিশ্রাম এবং পরকালের জন্য প্রস্তুতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সময়।










Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url