সকাল ও সন্ধ্যার ওযীফা - bhalo lage



সকালের ও সন্ধ্যার ওযীফা (যিকির) নিয়মিত করলে আত্মিক প্রশান্তি ও সওয়াব অর্জন করা যায়। নিচে সকাল ও সন্ধ্যার ওযীফাগুলোর একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেওয়া হলো

সকাল-সন্ধ্যার ওযীফা (ফজর ও মাগরীবের পর)

১.
(সাত বার): اللَّهُمَّ أَجِرْنِى مِنَ النَّارِ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান নার।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দাও

২.
সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস – প্রত্যেকটি ৩ বার

৩.
আয়াতুল কুরসী – (সূরা বাকারা: ২৫৫) – ১ বার

৪. 
হাসবিয়া আল্লাহু (৭ বার)

আবু দাউদ (৫০৮১) আবুদ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: "যে ব্যক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় ৭ বার পড়বেন: حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ ، عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ ، (উচ্চারণ: হাসবিয়া আল্লাহু লা-ইলাহা ইল্লা হুয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযিম) (অর্থ: আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। তিনি ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই। তাঁর উপরই আমি তাওয়াক্কুল করি। তিনি মহান আরশের অধিপতি) আল্লাহ্‌ তার দুশ্চিন্তা দূর করে দিবেন।" এটি মাওকুফ হাদিস; কিন্তু এ ধরণের হাদিস মারফু হাদিসের পর্যায়ভুক্ত। শাইখ বিন বায এর সনদকে জাইয়্যেদ বলেছেন। 

৫.
সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত

 هُوَ اللّٰهُ الَّذِيۡ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَۚ عٰلِمُ الۡغَيۡبِ وَالشَّهَادَةِۚ هُوَ الرَّحۡمٰنُ الرَّحِيۡمُ
উচ্চারণ: "হুওয়াল্লাহুল্লাযি লা ইলাহা ইল্লা হুয়া, আলিমুল গাইবি ওয়াশ শাহাদাতি, হুয়ার রাহমানুর রাহিম।"
অর্থ: তিনিই আল্লাহ, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। তিনি অদৃশ্য ও দৃশ্যের জ্ঞানী, তিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু।
 هُوَ اللّٰهُ الَّذِيۡ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَۚ اَلۡمَلِكُ الۡقُدُّوۡسُ السَّلٰمُ الۡمُؤۡمِنُ الۡمُهَيۡمِنُ الۡعَزِيۡزُ الۡجَبَّارُ الۡمُتَكَبِّرُؕ
উচ্চারণ: "হুওয়াল্লাহুল্লাযি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল মালিকুল কুদ্দুসুস সালামুল মু'মিনুল মুহাইমিনুল আজিজুল জাব্বারুল মুতাকাব্বির।"
অর্থ: তিনিই আল্লাহ, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। তিনি মালিক, মহাপবিত্র, শান্তি ও নিরাপত্তার মালিক, তত্ত্বাবধায়ক, পরাক্রমশালী, প্রবল, অহংকারকারী।ক
 سُبۡحٰنَ اللّٰهِ عَمَّا يُشۡرِكُوۡنَ
উচ্চারণ: "সুবহানাল্লাহি আম্মা ইয়ুশরিকুন।"
অর্থ: তারা যাকে শরীক করে তা থেকে আল্লাহ পবিত্র


৬.
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি – ১০০ বার

سبحان الله وبحمده سبحان الله العظيم
উচ্চারণ : সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আজিম।
অর্থ : মহান সেই আল্লাহ এবং তারই সকল প্রশংসা। মহান সেই আল্লাহ যিনি সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী।


৭.
সুবহানাল্লাহ্ - ১০০বার, আলহামদুলিল্লাহ্- ১০০বার


৮.
সূরা ইউনুস ( আয়াত নং ৮১-৮২ ) - ৩বার

{(80) فَلَمَّا أَلْقَوْا قَالَ مُوسَى مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ (81) وَيُحِقُّ اللَّهُ الْحَقَّ بِكَلِمَاتِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُجْرِمُونَ (82)} [يونس: 80 - 82]

উচ্চারণঃ ফালাম্মাআলকাও কা-লা মূছা- মা-জি’তুম বিহিছছিহরু ইন্নাল্লা-হা ছাইউবতিলুহূ ইন্নাল্লা-হা লা-ইউসলিহু‘আমালাল মুফছিদীন। ওয়া ইউহিক্কুল্লা-হুল হাক্কা বিকালিমা-তিহী ওয়ালাও কারিহাল মুজরিমূন।

অর্থঃ (81) অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল তখন মূসা বলল, “তোমরা যা এনেছো তা যাদু। অচিরেই আল্লাহ তা নস্যাৎ করে দেবেন। আল্লাহ তো অনর্থ সৃষ্টিকারীদের কর্ম ঠিক রাখেন না। (82) এবং অপরাধীরা পছন্দ না করলেও আল্লাহ তাঁর বাণী দ্বারা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করে থাকেন।”


৯.
ইমাম মুসলিম (২৭০৯) আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, এক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলল: ইয়া রাসূলুল্লাহ! গত রাতে আমাকে একটা বিচ্ছু কামড় দেয়ায় কী কষ্টটাই না পেয়েছি! তিনি বললেন: তুমি যদি সন্ধ্যাকালে বলতে: أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ (উচ্চারণ: আ‘ঊযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খালাক্বা)। (অর্থ: আল্লাহর পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের উসিলায় আমি তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাই) তাহলে তোমার কোন ক্ষতি হত না।

 

১০.

উবাদা বিন সামেত (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দোয়া পড়ে আল্লাহ তাআলার কাছে নিজের গুনাহ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করবে অথবা যেকোনো দোয়া করবে, আল্লাহ তাআলা তার দোয়া কবুল করবেন। দোয়াটি হলো-

لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ الْحَمْدُ لِلَّهِ وَسُبْحَانَ اللَّهِ وَلا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ وَلا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بِاللَّهِ 

উচ্চারণ: ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারিকালাহু-লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া আলা কুল্লু শাইয়িন কাদির, আলহামদুলিল্লাহি ওয়া সুবহানাল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়ালা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।’ 

অর্থ: ‘এক আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোনো ইলাহ নেই। তিনি এক, তাঁর কোন শরিক নেই। রাজ্য তাঁরই। যাবতীয় প্রশংসা তাঁরই। তিনিই সবকিছুর উপরে শক্তিমান। যাবতীয় হামদ আল্লাহরই জন্য, আল্লাহ তাআলা পবিত্র, আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোনো ইলাহ নেই। আল্লাহ মহান, আল্লাহ ছাড়া কোনো ভরসা নেই; কোনো ক্ষমতা বা শক্তি নেই।’ (সহিহ বুখারি: ১১৫৪)



১১.

সমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, "যে ব্যক্তি ৩ বার বলবে:

بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلاَ فِي السّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ 

(উচ্চারণ: বিস্‌মিল্লা-হিল্লাযী লা ইয়াদ্বুররু মা‘আ ইস্‌মিহী শাইউন ফিল্ আরদ্বি ওয়ালা ফিস্ সামা-ই, ওয়াহুয়াস্ সামী‘উল ‘আলীম)। (অর্থ: আল্লাহর নামে (সকল অনিষ্ট থেকে সাহায্য চাই), যার নাম (স্মরণের) সাথে আসমান ও যমীনে কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। আর তিনি  সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী) সে ব্যক্তি সকাল পর্যন্ত কোন আচমকা বিপদে আক্রান্ত হবে না। যে ব্যক্তি সকাল বেলা এ বাণীগুলো ৩ বার পড়বেন সন্ধ্যা হওয়া পর্যন্ত সে ব্যক্তি কোন আচমকা বিপদে আক্রান্ত হবেন না।"[সুনানে আবু দাউদ (৫০৮৮)]



১২.
জরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা কেউ যখন (নামাজের) তাশাহহুদ পড়বে তখন এ বলে ৪টি জিনিস থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রার্থনা করবে। তাহলো-

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ

উচ্চারণ : ‘আল্লহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন আজাবি জাহান্নাম ওয়া মিন আজাবিল কবরি ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতি ওয়া মিন শাররি ফিতনাতিল মাসিহিদ দাজ্জাল।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে জাহান্নামের আজাব থেকে আশ্রয় চাই। কবরের আজাব থেকে আশ্রয় চাই। জীবন ও মৃত্যুর ফেতনা থেকে আশ্রয় চাই এবং মাসিহ দাজ্জালের ফেতনা থেকে আশ্রয় চাই।’ (মুসলিম)



১৩.
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) এ সমস্ত বিষয় থেকে মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন।

اللهمَّ إنِّي أعُوذُ بِكَ مِنْ جَهْدِ الْبَلَاءِ، وَدَرَكِ الشَّقَاءِ، وَسُوءِ الْقَضَاءِ، وَشَمَاتَةِ الْأَعْدَاءِ


বাংলা উচ্চারণ-
আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন জাহদিল বালা-ই, ওয়া দারাকিশ শাকা-ই, ওয়া সু-ইল কদা-ই, ওয়া শামাতাতিল আ’দা-ই।

বাংলা অর্থ-
হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কঠিন বিপদ, দুর্ভাগ্যে পতিত হওয়া, ভাগ্যের অশুভ পরিণতি এবং শত্রুর আনন্দিত হওয়া থেকে। (বুখারি, হাদিস : ৬৩৪৭; মুসলিম, হাদিস : ২৭০৭)


১৪.
নফসের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচার দোয়া

اللَّهُمَّ أَلْهِمْنِي رُشْدِي وَأَعِذْنِي مِنْ شَرِّ نَفْسِي 

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আলহিমনি রুশদি ওয়া আয়িজনি মিন শাররি নাফসি।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমাকে হিদায়াত নসিব করুন এবং আমার নফসের অনিষ্ট থেকে আমাকে রক্ষা করুন। (তিরমিজি: ৩৪৮৩)


১৫.

يا حي يا قيوم برحمتك أستغيث أصلح لي شأني كله ولا تكلني إلى نفسي طرفة عين

 
উচ্চারণ : ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুমু বিরাহমাতিকা আসতাগিস, আসলিহ লী শানী কুল্লাহ, ওয়া লা তাকিলনী ইলা নাফসী ত্বারফাতা আইন।
 
অর্থ : হে চিরঞ্জীব! হে অবিনশ্বর। আমি তোমার করুণার অসিলায় ফরিয়াদ করছি। তুমি আমার সকল বিষয়কে সংশোধন করে দাও। আর চোখের এক পলক বরাবরও আমাকে আমার নিজের ওপর সোপর্দ করে দিও না।’ (নাসাঈ, বাযযার সহীহ তারগীব ১/২৭৩, ৬৫৪)




১৬.

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ العَفْوَ وَالعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ

“আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল ‘আাফিয়াহা ফিদ দুনয়া ওয়াল আখিরাহ।”

অর্থ: “হে আল্লাহ! আমি তুমহার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে ‘মাফি’ (মাফ করা) ও ‘আফিয়া’ (সুস্থতা ও নিরাপত্তা) চাই।”

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
“যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় এই দোয়া পড়বে, সে ঐদিন কোনো ক্ষতি (মৃত্যু বা অন্য কোন বড় বিপদ) থেকে রক্ষা পাবে।” - (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৪২০৫)






১৭.
সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার

ইমাম বুখারী (৬৩০৬) শাদ্দাদ বিন আওস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার (শ্রেষ্ঠ ইস্তিগফার) হল:

اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنوبَ إِلاَّ أَنْتَ 

(উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা আনতা রব্বী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খলাক্বতানী ওয়া আনা ‘আব্দুকা, ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাস্তাত্বা‘তু। আ‘উযু বিকা মিন শাররি মা সানা‘তু, আবূউ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ বিযাম্বী। ফাগফির লী, ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা)। (অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমার রব্ব, আপনি ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আমি আমার সাধ্য মতো আপনার (তাওহীদের) অঙ্গীকার ও (জান্নাতের) প্রতিশ্রুতির ওপর রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আপনি আমাকে যে নেয়ামত দিয়েছেন আমি তা স্বীকার করছি এবং আমার অপরাধও স্বীকার করছি। অতএব, আপনি আমাকে মাফ করে দিন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া পাপরাশি ক্ষমা করার কেউ নেই।) তিনি আরও বলেন: "যে ব্যক্তি দিনের বেলায় একীনের সাথে এ বাক্যগুলো বলবে এবং সে দিন সন্ধ্যার আগে মারা যাবে সে ব্যক্তি জান্নাতের অধিবাসী হবে। আর যে ব্যক্তি রাতের বেলায় এ বাক্যগুলো বলবে এবং সকাল হওয়ার আগে মারা যাবে সে ব্যক্তি জান্নাতের অধিবাসী হবে।"


রেফারেন্স







Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url