আমার প্রিয় টাঙ্গাইলের বিখ্যাত মিষ্টি - ভালো লাগে - bhalo lage
বাংলাদেশের মিষ্টির রাজধানী টাঙ্গাইলের বিখ্যাত মিষ্টি
টাঙ্গাইল শুধু শাড়ির জন্য নয়, এই জেলা বাংলাদেশের মিষ্টি প্রেমীদের হৃদয়েও বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এখানকার মিষ্টান্ন শিল্পীরা হাতের যাদুতে তৈরি করে আসছেন এমন সব মিষ্টি, যার তুলনা সারা দেশে বিরল। টাঙ্গাইলের মিষ্টি মানেই ঐতিহ্য, প্রেম আর অপূর্ব কারিগরির মিশেল।
আমার চোখে টাঙ্গাইলের বিখ্যাত পাঁচ মিষ্টি
১. জয়কালীর চমচম
টাঙ্গাইলের সবচেয়ে বিখ্যাত মিষ্টি চমচম। তিলে মাখানো গোলাকার এই মিষ্টান্ন দেশজুড়ে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ছানার নরম শরীর চিনির রসে ডোবানো, বাইরে কুচকুচে তিলের আবরণ। প্রথম কামড়েই মুখে মিলিয়ে যায়।টাঙ্গাইল শহরের পুরাতন বাস-স্ট্যান্ড থেকে পাচআনি বাজার ১০ মিনিটের রাস্তা। টাঙ্গাইল শহরের পাঁচআনি বাজারের পরিচিতি 'মিষ্টিপট্টি' হিসেবে। শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই বাজারে ছোট-বড় ২০টি মিষ্টির দোকান আছে। এসব দোকানে প্রতিদিন গড়ে ৫০ মণ মিষ্টি বিক্রি হয়।
২. কালীদাসের সন্দেশ
মসৃণ ছানার তৈরি এই সন্দেশ মিষ্টত্বে পরিমিত কিন্তু স্বাদে অতুলনীয়। কালীদাসের বিশেষ রেসিপি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে। দুই ধরনের সন্দেশ পাওয়া যায়, গুড়ের এবং মিষ্টির।ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল যাওয়ার পথে পাকুল্যা বাস-স্ট্যান্ড নেমে একটু সামনে এগুলেই জামুর্কী মির্জাপুর হাসপাতাল, তার কয়েকগজ দূরেই দোকানটি।
৩. তালতলার সরমালাই
গাঢ় দুধের সর আর মিষ্টির অপূর্ব মিলন। ঘন দুধে ডোবানো নরম ছানার টুকরোর উপর ক্রিমি সরের আস্তরণ। একটু ঠান্ডা করে পরিবেশন করলে স্বাদ দ্বিগুণ বেড়ে যায়।গোড়াই থেকে সখিপুর যেতে তালতলা বাজার পড়ে।
মাটির পাত্রে তৈরি ঘন মিষ্টি দই। গরু ও মহিষের মিশ্র দুধে তৈরি, উপরে মোটা সরের আস্তরণ এবং ভেতরে একেবারে মসৃণ ও ঘন। টাঙ্গাইলের গৌর ঘোষের দইয়ের সুনাম সর্বত্র।
৫. খাটিয়ার বাজারের মিষ্টি
এই মিষ্টি খেতে খুব মজাদার মিষ্টির পরিমান কম, তাই খেতে খুব ভালো লাগে। নরম তুলতুলে। এই মিষ্টির স্বাদ দুই ধরনের গরম মিষ্টির এক রকম আর ঠান্ডাটা আরেক রকম।
বিখ্যাত ছানার মিষ্টি খাটিয়ারহাট বাজার, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল

